অপেক্ষা
শীতের রাত।চারিদিকে সোডিয়ামের আলো খুব একটা প্রভাব বিস্তার করতে পারছে না।হেরে গেছে কুয়াশায়।টি শার্টের উপর একটা ফুল হাতা শার্ট গায়ে আমি প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে কাপছি।দু পা এগিয়ে যেতেই থেমে যাচ্ছি বারবার।এই থেমে যাওয়ার মাঝেই এই শীতে এক ভদ্রলোককে দেখলাম এদিকে প্রায় দৌড়ে আসছে।কুয়াশায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না।আরও একটু কাছে আসতেই ভদ্রলোকটাকে আমি চিনতে পারলাম।হাতের ইশারায় তাকে থামিয়ে শান্ত চোখে তার দিকে তাকালাম। অবশ্য পরিচিত না হলে থামাতাম না।আমাদের এলাকার ছেলে।হাতে কম্বল নিয়ে হাপাচ্ছে।আমি ওকে থামিয়ে ওর কাধে হাত রেখে বললাম, -কি ব্যাপার হাসিব,হাপাচ্ছিস কেন? ছেলেটা এই শীতেও ঘেমে গেছে।দ্রুত শ্বাস নিতে নিতে বললো, -ভাই ওদিকে কয়েকজনকে কম্বল দিয়েছিলাম।একজনের ছবি তুলতে ভুলে গেছি। -তাই এভাবে দৌড়ে যাচ্ছিস? -হু। হাসিবের কথায় আমি কি বলবো ভেবে পেলাম না।কম্বল দিয়েও ছবি তুলতে হবে কেন?ফেসবুকে পোষ্ট করার জন্যে?হয়তো।তাদের ভাবনা,তাদের দেখে আরেকজন শিখবে।আমি হাসিবের দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বললাম, -আচ্ছা আমার দিকে তাকা।আমাকে কেমন লাগছে? আমার কথায় ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে বললো, -কেমন লাগবে আবার।আগ...