ভাগ্যের পরিহাস
কথা ছিল নিলা ন'টার মধ্যে আসবে। কিন্তু এলো না। বারোটা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে রইলাম একা একা। চোখে জল আসবার মতো কষ্ট হতে লাগল আমার। এই মেয়েটা বড্ড বেখেয়ালি। বাসায় এসে দেখি ছোট্ট চিরকুট লিখে ফেলে গেছে। সন্ধ্যায় ৬৯৭৬২১ নম্বরে ফোন করো—নিলা। তাদের পাশের বাড়ির ফোন। আগেও অনেক বার ব্যবহার করেছি। কিন্তু আজ তাকে ফোনে ডাকতে হবে কেন? অনেক আলাপ আলোচনা করেই তবে ঠিক করা হয়ছে আজ সোমবার বেলা দশটায় দুজন টাঙ্গাইল চলে যাব। সেখানে রিমনের বাসায় আমাদের বিয়ে হবে। সারা দুপুর শুয়ে রইলাম। হোটেল থেকে ভাত এনেছিলাম। সেগুলি স্পর্শও করলাম না। ছোটবেলায় যে রকম রাগ করে ভাত না-খেয়ে থেকেছি আজও যেন রাগ করবার মতো সেরকম একটি ছেলেমানুষি ব্যাপার হয়েছে। নিলার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হয়েছে— এই ভাবতে-ভাবতে নিজেকে খুব তুচ্ছ ও সামান্য মনে হতে লাগল। সন্ধ্যাবেলা টেলিফোন করবার জন্যে যখন বেরিয়েছি তখন অভিমানে আমার ঠোট ফুলে রয়েছে। গ্রিন ফার্মেসির মালিক আমাকে দেখে আঁতকে উঠে বললেন, অসুখ নাকি ভাই? আমি শুকনো গলায় বললাম, একটা টেলিফোন করব। নিলাদের বাসার পাসে বাসায় দুইজন ছেলে মেয়ে থাকত বয়স সাত কি আঁট হবে। তাদের কথা শুনলে বুকের মাঝ...