প্রলোভনে প্রলাপে
সন্ধ্যা রাতে মিরাজের বউ পালিয়ে গেল। চার বছরের বাচ্চা মেয়ে তুলিকে রেখে গেছে। সাথে করে নিয়ে গেছে স্বর্ণালংকার আর নগদ টাকা। মিরাজের বাবা মজিবুল হক মাগরিবের নামাজ পড়ছিলেন। নামাজে থেকেই তিনি শুনতে পেলেন চার বছরের নাতনিটা মা মা বলে কান্না করছে। তিন রাকাত ফরজ নামাজ পড়েই মজিবুল হক জায়নামাজ গুছিয়ে উঠে গেলেন। নাতনিকে ডেকে বললেন, "তুলি, দাদু ভাই কাঁদছো কেন? মা বকেছে?।" তুলি দৌড়ে এসে তাঁর দাদার কাছে বলল, "মা নানু বাড়ি গেছে। আমাকে নিয়ে যায়নি।" মজিবুল হক কিছুই বুঝে উঠতে পারলেন না। এমন সন্ধ্যায় ছেলের বউ বাপের বাড়ি যাবে কেন? আর গেলেও কাউকে কিছু না বলে তুলিকে সাথে না নিয়েই চলে গেল কেন? মিরাজের সাথে ফোনে ঝগড়া হয়নি তো? তিনি নিজেই একবার সব রুমে ঘুরে দেখলেন। মিরাজের বউ কোথাও নেই। দাদার হাতের আঙ্গুল ধরে তুলিও সাথে সাথে এঘর ওঘর হাঁটছে। এক রুমে শুয়ে আছে মিরাজের মা। দীর্ঘ দুই মাস ধরে বিছানায় পড়ে আছে। ঠিকমত কথা বলতে পারে না, জড়িয়ে আসে কথা। মজিবুল হক কাঠের চেয়ারে বসে পড়লেন। তুলির মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। আর ভাবছেন, মিতু এলেই মিরাজের কাছে একটা ফোন করতে হবে। নিশ্চয় বউমা'র সাথে ঝগড়া করেছে ...