Posts

Showing posts with the label ভালোবাসার

ভালোবাসার অবেলায় সন্ধ্যে নামে

Image
ভালোবাসার গল্প আইরিন ভাবিকে কেনো যে আমার এত বেশি ভালো লাগে এর কোনো যুক্তিগত কারণ খুজে পাইনি। আইরিন ভাবির চোখ দুটো আমার সবচাইতে বেশি আকর্ষণ করে। অন্যের বউয়ের প্রতি এমন আকর্ষণ ঘোর অন্যায়। কিন্তু আমার ওনাকেই বেশি ভালো লাগে। এই ভালোলাগার জন্য ওনার সামনে আমি লজ্জাতে তেমন যেতেই পারিনা। সিঁড়ি দিয়ে উঠছি। আইরিন ভাবির সামনেই পড়লাম। ওনার মুখের দিকে তাকাতেই মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটে ওঠে। আমার বুকের ভিতরে হঠাৎ কাঁপুনি অনুভব হয়। নিজেকে এত বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু তবুও আমার দৃষ্টি ওনার মুখের দিকেই চলে যেতে চাইছে। আমাকে দেখে বললো.. "আরে আবির যে..  তা কেমন আছো? তোমাকে তো দেখিইনা। কোথায় থাকো তুমি?" "জ্বি ভাবী ভালো। আপনি কেমন আছেন? জাহিদ ভাই ভালো আছে? আরুশা কেমন আছে?" আরুশা নাম শুনতেই ভাবির মুখে থাকা হাসির রেখা নিমিষেই উবে গেলো। চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন তিনি। আমি কিছু বললাম না। ভাবী জোরে একটা শ্বাস নিলেন। আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বললেন... "বাড়িতে আজ এসো, দাওয়াত রইল। আসবে কিন্তু.. তোমার ভাইয়ের অনেক আত্বীয় এসেছে।" কথাগুলো বলে উনি চলে গেলো। আমি ওনার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়...

ভালোবাসার কষ্ট

দুই বছর হতে চলেছে অর্পা আর ইমরানের বন্ধুত্বের।খুব ভাল বন্ধু তারা।একে অপরের কাছে সব কিছুই শেয়ার করে।কেউ কাউকে ছাড়া একটা মূহুর্তও থাকতে পারে না।কিন্তু কয়েকদিন হয় ইমরান অর্পার মাঝে কিছুটা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে।অর্পা আগের মত আর ইমরানকে সময় দেয় না,ফোনে কথা বলার সময়ও ব্যাস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়।কিন্তু কেন অর্পা এমন করছে তা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না ইমরান।এ ব্যাপারে অর্পাকে কিছু জিজ্ঞেস করলেও অর্পা চুপ করে থাকে।অর্পার এই কয়েকদিনের পরিবর্তন ইমরানকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।কারন ইমরান যে অর্পাকে তার মনের কুঠিঁরের খুঁটি বানিয়ে ফেলেছে।মনের অন্ত গহীনে জায়গা দিয়ে ফেলেছে তাকে।অর্পাকে ছাড়া একটা মূহুর্তও থাকতে পারছে না ইমরান।সারাক্ষন অর্পার ভাবনায় বিভর থাকে সে।হয়তো এটাই ভালোবাসা।ইমরান অর্পাকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছে। | অর্পার সাথে ইমরানের প্রথম পরিচয় হয় বাস স্টপে।গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পরছে।অনেকক্ষন ধরে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছে সে।মাথাটা প্রায় ভিজে গেছে।হঠাত্ খেয়াল করলো তার মাথার উপরে কেউ একজন ছাতা এগিয়ে ধরেছে।মাথাটা ঘুরিয়ে তাকাতেই দেখে একটা মেয়ে কাজল কালো চোখে তার দিকে চেয়ে আছে।ঠোঁটের কোন এক চিলতে হাসির ...

ভালোবাসার শেষ ইচ্ছা

এই সজল উঠ,উঠ।পানি ঢাললাম কিন্তু উঠ বলছি।(সুমু) --কি হয়েছে?? এত রাতে ডাকতেছিস কেন?যা তো ডিস্টার্ব করিস না তো ঘুমাতে দে। আর কি পানি আমার মুখে।লাফিয়ে উঠে এইটা কি করলি??পানি দিলি কেন??(রাগ করে) --তুই উঠস না কেন।এতক্ষণ ধরে ডাকতেছি।চল আইসক্রিম খেতে যাব।(সুমু) --এতরাতে।।কয়টা বাজে জানিস?? রাত ১২টা।এতরাতে আইসক্রিম তোর জন্য বসে আছে। তুই কি যাবি কিনা বল নাকি অন্য ব্যাবস্থা করব??(সুমু)  --যাব না যা করার কর বলতেই আমার গলা চেপে ধরেছে।কি করছিস ছাড়।লাগছেতো ছাড়। --আগে বল যাবি কিনা বল??? --ওকে যাব,ছাড়। --সত্যি বলছিসতো??নাহলে কিন্তু... --সত্যি বলছি যাব,ছাড় এইবার?? --যা ছেড়ে দিলাম।এখন চল তাড়াতাড়ি? --শান্তিতে ঘুমাব তাও পারি না।কিসের জন্য যে আম্মু এই মেয়ের বাসার পাশে বাড়ি করল।আমার জীবনটাই শেষ।বাসায়টা মনে হয় ওর যখন তখন আসে।আম্মু আব্বুও কিছু বলে। কি বলবে তাদের সামনে তো উনি ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। --কিছু বললি তুই?? --না কি বলব।আমার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে যে তোকে কিছু বলব।চল.. বাসা থেকে বের হয়ে হাঁটছি দুজনে --কি যে ভুতে ধরে তোরে মাঝেমাঝে।এতো রাতে কোন দোকান খোলা থাকবে না আইসক্রিমওয়ালা তো দূরের কথা। ...

ভালোবাসার আলিঙ্গন

আসবে একটু। ' আজকে গরমটা একটু বেশীই।ফ্যানের বাতাসটাও কেমন যেন গরমের কাছে হার মেনে গেলো।আমি আরও একবার হাত ঘড়িটার দিকে তাকালাম।সময় প্রায় হয়ে গেছে।কিন্তু মেয়েটা এখনও আসছে না কেন।একটু ভেতরের দিকে দেখা যাক। ' আশেপাশে অনেককেই দেখতে পেলাম।এত মানুষের মাঝে ওকে কিভাবে খুজে পাবো।এদিকে ওর ফোনটাও বন্ধ পাচ্ছি।আমি ইতির ক্লাসের দিকে এগুতেই দেখি মেয়েটা বেশ ছায়াওয়ালা গাছের নিচে ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে।দূর থেকে ওর হাসি মাখা মুখটা দেখতে বেশ লাগছে।অনেকদিন পর দেখা তো তাই একটু বেশীই ভাললাগা কাজ করছে। আমি ওদের সামনে গিয়ে ইতির দিকে তাকিয়ে বললাম, -আসবে একটু। আমার কথায় সবাই মুখ ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালো।তবে ইতির তাকানোটায় কেমন যেন অন্য রকম আভা দেখতে পেলাম।আসলে ও হয়তো আমাকে এসময় এখানে কোনভাবেই আশা করেনি।আমি ইতির দিকে তাকিয়ে আবারও বললাম, -আসবে একটু। আমার কথায় ইতি মাথা নাড়িয়ে উঠে দাঁড়ালো। ওদের থেকে বিদায় নিয়ে আমার পাশে এসে বললো, -হুম চলো। ইতির কথায় আমি ওর সাথে হাটতে শুরু করলাম।আসলে এতদিন পর এভাবে আমাকে এখানে দেখে ও বেশ কিছুটা অবাক হয়েছে।ইতির সাথে হাটতে বেশ লাগছে।চারিদিকের  নীরবতা ভেঙে আমি বললাম, -কেমন আছ...

ভালোবাসার ছোট গল্প

(১) বাঁশঝাড়ের ফাঁকে ফাঁকে ঝিঁঝিঁ পোকারা ডাকছে। চারদিকে নিস্তব্ধতার আগমন ঘটেছে। সদ্য মাঠ থেকে ফেরা মানুষেরা রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছে। মাঝে মাঝে শিয়াল মামা জোরে জোরে ডাকছে। শিয়ালকে বড্ড ভয় পায় মেয়েটি। তবুও বাবার সদ্য কবরের পাশে বসে কেঁদেই চলছে অঝোর ধারায়। বাড়ির সামনে কাঁঠাল গাছটার নিচে যোগ হলো মরহুম গোলজার মিয়ার কবর। চিরনিদ্রায় শায়িত করে যে যার মতো বাড়ি ফিরে গেছে। সকলে ফিরে যাবার পর থেকে বাবার কবরের পাশে বসে আছে মহুয়া। বাবা ছাড়া তার ত্রিভুবনে কেউ ছিলো না, আজ বাবাও চলে গেল। এখন মহুয়া একা, বড্ড একা।  'মহুয়া, আর কত কাঁদবি বল? সবাই কি চিরদিন পৃথিবীতে বাইঁচা থাকে রে? না রে থাকে না। আমরা সবাই চইলা যামু,একদিন আগে আর পাছে।' রহিম মাঝির কথাগুলো শুনে মনোযোগ তার দিকে গেল। চোখের জল মুছে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে রহিম মাঝির দিকে। বুকের এক পাশটা খাঁ খাঁ করছে, শূন্যতা তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যে। ঠোঁট দু'টো বাকিয়ে স্মিত হাসার চেষ্টা করে রহিম মাঝি। 'সারাদিনই তো কিছু খাস নাই, এখন ওঠ। ঘরে যাবি না?' মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ায় মহুয়া। ডুকরে কেঁদে উঠে, ' আমার যে আর ক...

ভালোবাসার অপেক্ষা

" কই তুমি? " " দুই ঘণ্টা ধরে বসিয়ে রেখে এখন বলো কই তুমি? " " আরেকটু অপেক্ষা করো। আমি হালকা কাপড়চোপড় খেয়ে ভাত গায়ে দিয়ে রওনা দিচ্ছি। " বলেই আনিকা ফোন কেটে দিলো। মেয়ে ভালো শুধু মাথায় কিঞ্চিৎ সমস্যা। কিছুক্ষণ একা একা বসে বাদাম খাওয়ার পর আবার ওর ফোন। " কই তুমি? আমার কিন্তু মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। " " রাগ করো না প্লীজ। দেখো না মাথায় প্রচুর জ্যাম সেজন্য রাস্তা ব্যাথা হয়ে গেছে। " " ধুর, আমার সময়ের কোনো দাম নাই তোমার কাছে? " " আছে তো, আচ্ছা তুমি এখন কী করছো? " " বাদাম খাই আর গল্প লিখছি " " আচ্ছা তাহলে গল্পগুলো খেয়ে বাদম টা পোস্ট করে দাও। এরই মধ্যে আমি পৌঁছে যাবো। "  বলে আবার ফোন টা রেখে দিলো। তারপর আর বেশিক্ষণ দেরি হলো না। ও আমার পাশে এসে বসলো। আমি সরে গেলাম। ও মুখ গোমরা করে আমার সামনে গিয়ে। " রাগ করছো? তুমি বললে আমি উঠবস ধরে কান করতে পারি। "  " আগে বলো তুমি কী আমাকে মানুষ মনে করো না? " " আল্লাহ্‌ চেঁচাচ্ছ কেনো? শুনো না, হঠাৎ আমাদের বাড়িতে দেরি এলো সেজন্য মেহমান হয়ে গেলো আ...