তোমার অপেক্ষায় প্রিয়
ইনশাআল্লাহ শুধু তোমার অপেক্ষায় আছি প্রিয়তমা হুজরানী 🥰🥰🥰
স্ত্রী = এই, এই উঠো না।
স্বামী= অহহু কি?
স্ত্রী = উঠো না প্লিজ
স্বামী= ওহহু একটু আগেই তো ঘুমালাম।
স্ত্রী = প্লিজ উঠো আমার শরীর খারাপ করছে।
স্বামী = ঘুম থেকে জেগে উঠে বসে জিজ্ঞেস করলাম কি কি হয়েছে তোমার?
স্ত্রী = তেমন কিছু না
স্বামী = তেমন কিছু না মানে? কি হয়েছে বলো আমাকে।
স্ত্রী = আরে পেটে খুব ব্যাথা করছে
স্বামী = গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা।
স্ত্রী = উহহু জানি না।
স্বামী = পেটের কোন দিকে ব্যাথা
স্ত্রী = সারা পেটে নিচ দিক থেকে বেশি
স্বামী = ইশ! কমে যাবে ধৈর্য ধরো ওষুধ দেই ব্যাথার?
স্ত্রী = না ওষুধ লাগবে না তুমি বরং ওয়াশ রুম থেকে ওযু করে এসে সূরা ফাতিহা পড়ে ফুঁ দাও আর হাত বুলিয়ে দাও ঠিক হয়ে যাবে।
স্বামী = ইশ যাচ্ছি সোনা। কতো কষ্ট হচ্ছে আমার বউটার। ওয়াশ রুম থেকে ওযু করে এসে শায়লার পেটে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে সূরা ফাতিহা, ইখলাস, আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুঁ দিলাম
স্ত্রী = একটা আবদার করি
স্বামী = হুম করো।
স্ত্রী = তুমি ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ো না আমি চেয়ে চেয়ে দেখবো! তারপর ফজরের ওয়াক্ত চলে আসলে ফজরের নামাজ পড়ে শুইবা।
স্বামী = ওহ
স্ত্রী = প্লিজ নামাজ পড়ে আমার জন্য দোয়া করিও । তোমার তো ওযু আছে যাও না নামাজ পড়ে নাও। তাছাড়া কাল শুক্রবার অফিসের তারা নেই তোমার।
স্বামী = হুম, আচ্ছা পড়ছি। তোমার ঘুম পেলে না হয়ই তুমি ঘুমিয়ে যাও
স্ত্রী = আচ্ছা
স্বামী = নামাজে দাড়িয়ে রাকাত বাঁধতেই বিছানা থেকে তাড়াতাড়ি উঠে ওয়াশ রুমে গেলো শায়লা। ওর এতক্ষণের পেটে ব্যাথা কোথায় গেলো নামাজে থেকে থেকে শয়তান আমাকে ভাবাচ্ছে। ওয়াশ রুম থেকে বের হয়েই দেখি আমার ডান দিকে একহাত পিছনে জায়নামাজ বিছিয়ে দিয়েছে। কিছুই বুঝতে পারছি না একটু পর ২ রাকাত নামাজ শেষ হতেই পিছনে তাকাতেই দেখলাম শায়লা ও নামাজে দাড়িয়ে আছে। আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না পাগলির পাগলামি। আবার রাকাত বাঁধলাম আরোও ২ রাকাত নামাজ শেষ করে একটু বসে আছি। শায়লা ও সালাম ফিরিয়েছে আবার নামাজের জন্য দাঁড়ানোর সময় মিন মিন করে বলছে।
স্ত্রী = পেটে হালকা ব্যাথা করছে তবুও আমি ৮ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বো। তুমি সুস্থ তাই তোমার ১২ রাকাত পড়া উচিৎ।
স্বামী = ওর কথা শুনে কোন কথা না বলে ১২ রাকাতি পড়লাম। তারপর শায়লা বললো
স্ত্রী = হাত তুলো আর দোয়া করো
স্বামী = আমি মহান রব আল্লাহর দরবারে গভীর রাতে বউকে নিয়ে হাত তুললাম। দোয়ার এক পর্যায়ে বললাম। মহান আল্লাহ আমার বউকে তুমি আরও এমন সুবৃদ্বি দান করো। এটা বলতেই আমার বউ একটা শব্দ করেই হেসে দিলো।
স্ত্রী = হি, হি, হি,😁😁
স্বামী = পরিপূর্ণ বউ তো সে যে বেহেস্তে একা যেতে চায়না তার স্বামীকে সাথে নিয়ে যেতে চায়। আসলে একটা মেয়ে চাইলে সব কিছুই করতে পারে। যেমন খারাপ বানাতে পারে তেমনি একটা ছেলেকে ভালোও বানাতে পারে। সেই সংসারে সুখ থাকে যে সংসারে একটা গুণবতী আদর্শ বউ থাকে। মেয়েটি সুন্দর হলে সে গুণবতী নয় মেয়েটার গুণ থাকতে হবে সেই গুণটা হলো আল্লাহ ভক্ত। আর মেয়েটা আল্লাহর ভক্ত সে সব করতে আল্লাহর হুকুম মানতে স্বামীর সেবা করবে সেই মেয়েটি মরার আগ পর্যন্ত চেষ্টা করবে যে স্বামীটি আদর্শবান বানাতে
ইয়া আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহভাবে চলার এবং দ্বীন পূর্ণ করার তৌফিক দান করুন
আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে দ্বীনদার ও উত্তম জীবনসঙ্গী দান করুক।আমিন🤲
Comments
Post a Comment