ভালোবেসে মন ভরবে নাহ

-কি ব্যাপার গর্তের সাপ বাইরে কেন?
-গর্তের সাপ মানে?
-তুমি তো সব সময় চ্যাট অফ রাখ আজকে অন কেন?
-ও তাই তো মনে ছিল না
-কালকে আসছ তো বকুল তলায়?
-হুম।ঠিক ৩টায় থাকবা।
-অক্কে
কথা হচ্ছিল শুভ্রা আর আমার মাঝে।আজকে আমি শুভ্রার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি প্রায় এক বছর পরে।ভাল কলেজে এডমিট হওয়ার এই একটা অসুবিধা, বাড়িতে আসা যায় না।যদিও কোন ছুটি থাকে তবে সেটা একদিনের যা শুধু মায়ের কাছে থাকতেই শেষ।
কালকে শুভ্রার জন্মদিন তাই কালকে আমরা দেখা করছি।শুভ্রার জন্মদিন উপলক্ষে আমি কিছু কাঁচের চুড়ি আর নুপুর কিনে আনছি যা কিনা কেঊ জানে না।জন্মদিনে মেয়েটা যা খুশি হবে!!!
-কি ব্যাপার শুভ্রা কই তুমি?
-৫মিনিট বস,আমি আসছি।
-ওকে তাড়াতাড়ি এস।
-ওকে।
প্রায় বিশ মিনিট হয়ে যাচ্ছে শুভ্রা এখনও আসছে না।মেয়েদের এই একটা অভ্যাস কোন জায়গায় যাওয়ার আগে ১ঘন্টা যাবত সাজবে!কিন্তু শুভ্রা মেয়েটা তো এমন না!সাজুগুজু বলতে তেমন কিছু করে না।আমি আবার ফোন দিলাম
-শুভ্রা তুমি কি আসবা?
-২মিনিট,প্লিজ রাগ করে না।
-ওকে আস।
দুর থেকে দেখি একটা মেয়ে আসছে আমার দিকে।এই এক বছরে কত কিছু বদলে গেছে!মেয়েটা আমার কাছে চলে আসছে,হালকা মেরুন কালারের শাড়ি।দেখে মনে হচ্ছে মেরুন কালার শাড়ি শুধু এই মেয়েটাকেই মানাবে পৃথীবিতে অন্য কাঊকে মানাবে না
-কি ব্যাপার এইভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
-কতদিন পর আমাদের দেখা?
-অনেক দিন!
-আচ্ছা শুভ্রা বল তো এত দেরি করলা কেন?
-একটু সমস্যা ছিল
-আরে বস তো তোমাকে একটু দেখে নেই ভাল করে!
-কি যে বল তুমি!
আমি কতক্ষন অপলক দৃস্টিতে তাকিয়ে আছি শুভ্রার দিকে।এই মেয়ের দিকে তাকিয়ে জীবন পার করে দেওয়া যায়।
-শুভ্রা দেখি তোমার হাতটা দাও তো।
শুভ্রা নিজের হাতটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল, আমি তার হাতে চুড়িগুলি পড়ায়ে দিলাম!ও কিছু বলছে না শুধু অপলক তাকিয়ে আছে।
-শুভ্রা পাটা বাড়াও তো?
-কেন?
-বাড়াও না
শুভ্রা পাটা এগিয়ে দিল।আমি পায়ে নুপুর পড়িয়ে দিচ্ছি
-এই কি করছ মানুষ তো দেখবে
-দেখুক।
-শুভজন্মদিন শুভ্রা.........
শুভ্রা আমাকে জড়িয়ে ধরে আর বলতে থাকে
"তুমি আমার এমনই একজন,যারে
একজনমে ভালবেসে ভরবে না এই মন"

Comments

Popular posts from this blog

বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক সারের কাজ।

বিয়ে ছাড়াই বউ!

ভালোবাসার শেষ ইচ্ছা