Posts

২০১৮ বিশ্বকাপে পুরস্কারের তালিকা

Image
২০১৮ বিশ্বকাপে পুরস্কার :- . ইয়াং প্লেয়ার: কেলিয়ান এম্বাপ্পে, গোল্ডেন বল: লুকা মদ্রিচ, গোল্ডেন বুট: হ্যারি কেইন, গোল্ডেন গ্লাভস: কর্তোয়া, ফেয়ার প্লে : টিম স্পেন।

একজন পাপীর অনুশোচনা!

Image
আমি স্পর্শ করেছিলাম অঞ্জলির দেহ, ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে করেছিলাম স্নেহ, তার ছিলনা কোনো পাপ, ছিল না কোনো অপরাধ, তবুও আমার ইচ্ছে ছিল তার সাথে কাটাব রাত, তাই তো জোর করে চেপে ধরেছ...

একজন পতিতার প্রেমের গল্প

Image
সোনাগাঁও। নদীর তীর ঘেঁষে দড়িয়ে থাকা ছোট বড় ঘর বাড়ি আর সারিবদ্ধ নারকেল গাছের সমারোহ। সাথে সবুজের অবিরাম পদচারণ। দেখতে খুবই সুন্দর। মন কাড়ে অনেকের। জায়গাটার নাম অবশ্য ক...

ডিমের অপরাধী ভার্শন (ইরোটি২৪)

Image
হোস্টেল জীবনের একটি ভয়ঙ্কর সমস্যার নাম ডিম সমস্যা। তাই ডিমের অপরাধী রিমিক্স যদি এমন হয় তাহলে কেমন লাগবে বলুনতো...! "একটা সময় তোরে আমি ভালোবাসিতাম, তোরে ভাজি-অমলেট-ভুনা কইর...

ভালোবাসার কষ্ট

দুই বছর হতে চলেছে অর্পা আর ইমরানের বন্ধুত্বের।খুব ভাল বন্ধু তারা।একে অপরের কাছে সব কিছুই শেয়ার করে।কেউ কাউকে ছাড়া একটা মূহুর্তও থাকতে পারে না।কিন্তু কয়েকদিন হয় ইমরান অর্পার মাঝে কিছুটা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে।অর্পা আগের মত আর ইমরানকে সময় দেয় না,ফোনে কথা বলার সময়ও ব্যাস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়।কিন্তু কেন অর্পা এমন করছে তা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না ইমরান।এ ব্যাপারে অর্পাকে কিছু জিজ্ঞেস করলেও অর্পা চুপ করে থাকে।অর্পার এই কয়েকদিনের পরিবর্তন ইমরানকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।কারন ইমরান যে অর্পাকে তার মনের কুঠিঁরের খুঁটি বানিয়ে ফেলেছে।মনের অন্ত গহীনে জায়গা দিয়ে ফেলেছে তাকে।অর্পাকে ছাড়া একটা মূহুর্তও থাকতে পারছে না ইমরান।সারাক্ষন অর্পার ভাবনায় বিভর থাকে সে।হয়তো এটাই ভালোবাসা।ইমরান অর্পাকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছে। | অর্পার সাথে ইমরানের প্রথম পরিচয় হয় বাস স্টপে।গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পরছে।অনেকক্ষন ধরে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছে সে।মাথাটা প্রায় ভিজে গেছে।হঠাত্ খেয়াল করলো তার মাথার উপরে কেউ একজন ছাতা এগিয়ে ধরেছে।মাথাটা ঘুরিয়ে তাকাতেই দেখে একটা মেয়ে কাজল কালো চোখে তার দিকে চেয়ে আছে।ঠোঁটের কোন এক চিলতে হাসির ...

ভালোবাসার শেষ ইচ্ছা

এই সজল উঠ,উঠ।পানি ঢাললাম কিন্তু উঠ বলছি।(সুমু) --কি হয়েছে?? এত রাতে ডাকতেছিস কেন?যা তো ডিস্টার্ব করিস না তো ঘুমাতে দে। আর কি পানি আমার মুখে।লাফিয়ে উঠে এইটা কি করলি??পানি দিলি কেন??(রাগ করে) --তুই উঠস না কেন।এতক্ষণ ধরে ডাকতেছি।চল আইসক্রিম খেতে যাব।(সুমু) --এতরাতে।।কয়টা বাজে জানিস?? রাত ১২টা।এতরাতে আইসক্রিম তোর জন্য বসে আছে। তুই কি যাবি কিনা বল নাকি অন্য ব্যাবস্থা করব??(সুমু)  --যাব না যা করার কর বলতেই আমার গলা চেপে ধরেছে।কি করছিস ছাড়।লাগছেতো ছাড়। --আগে বল যাবি কিনা বল??? --ওকে যাব,ছাড়। --সত্যি বলছিসতো??নাহলে কিন্তু... --সত্যি বলছি যাব,ছাড় এইবার?? --যা ছেড়ে দিলাম।এখন চল তাড়াতাড়ি? --শান্তিতে ঘুমাব তাও পারি না।কিসের জন্য যে আম্মু এই মেয়ের বাসার পাশে বাড়ি করল।আমার জীবনটাই শেষ।বাসায়টা মনে হয় ওর যখন তখন আসে।আম্মু আব্বুও কিছু বলে। কি বলবে তাদের সামনে তো উনি ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। --কিছু বললি তুই?? --না কি বলব।আমার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে যে তোকে কিছু বলব।চল.. বাসা থেকে বের হয়ে হাঁটছি দুজনে --কি যে ভুতে ধরে তোরে মাঝেমাঝে।এতো রাতে কোন দোকান খোলা থাকবে না আইসক্রিমওয়ালা তো দূরের কথা। ...