দুপুরে খাওয়ার পর একটু বিছানায় শুয়ে পড়ি। ঘুম আসেনা চোখে। শুধু টেনশন হচ্ছে আমার। আমি বুঝতে পারছি জীবনের বড় একটা ভুল পথে অগ্রসর হচ্ছি আমি। একটুপর নাঈমা আমার কাছে এসে বসলো মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে বউ আমার। হঠাৎ মোবাইলটা বেজে উঠলো! রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বললো... -তাড়াতাড়ি মাঠে আসো। এই বলেই ফোন কেটে দিলো জুুঁই। আমি ফোন রেখে চেয়ে আছি নাঈমা এর মুখের দিকে। শত ব্যথা বুকে চেপে আমার মুখের পানে চেয়ে আছে মেয়েটা। আমি উঠে আলমাররির ড্রয়ার থেকে টাকা বের করলাম। প্যান্ট, শার্ট পড়ে বের হওয়ার জন্য নাঈমা এর সামনে আসলাম। অসহায়ের দৃষ্টিতে নাঈমা চেয়ে আছে আমার দিকে। -আমি যাচ্ছি। তুমি এদিকটা সামলে নিও নাঈমা। -হুম যাও। তবে নিজেকে দেখে রেখো। যেখানেই যাও চিন্তা, ভাবনা করে যেও। আর যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে এসো। ওনাকে নিয়েই এসো। আমি না হয় তোমার মা, বাবাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করবো। আর সব সময় ফোনে যোগাযোগ রেখো। কোন কিছু হলেই ফোন করবে আমায়... আমি ঠিকাছে? কথাগুলো একটানে বলে মেয়েটা চেয়ে আছে আমার দিকে। জানি কথাগুলো অনেক কষ্টে বলেছে। আমি ওর কাছে গিয়ে ওর থুতনিটা ধরে বললা...