Posts

মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।

J.S.C – এর পূর্নরূপ — Junior School Certificate. 💠 J.D.C – এর পূর্নরূপ — Junior Dakhil Certificate. 💠 S.S.C – এর পূর্নরূপ — Secondary School Certificate. 💠 H.S.C – এর পূর্নরূপ — Higher Secondary Certificate. 💠 A.M – এর পূর্নরূপ — Ante meridiam. 💠 P.M – এর পূর্নরূপ — Post meridiam. 💠 B. A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Arts. 💠 B.B.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Studies. 💠B.S.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Social Science. 💠 B.B.A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Administration 💠 M.B.A – এর পূর্নরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration. 💠 B.C.S – এর পূর্নরূপ — Bangladesh Civil Service. 💠 M.A. – এর পূর্নরূপ — Master of Arts. 💠 B.Sc. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science. 💠 M.Sc. – এর পূর্নরূপ — Master of Science. 💠 B.Sc. Ag. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science in Agriculture . 💠 M.Sc.Ag.- এর পূর্নরূপ — Master of Science in Agriculture. 💠 M.B.B.S. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Medicine and Bachelor of Surgery. 💠 M.D. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Medicine./ M...

জনসচেতনতায়ঃ

Image
একজন মুমূর্ষু রোগীর যদি ইমার্জেন্সি ব্লাডের প্রয়োজন হয় আর তার ব্লাড গ্রুপ যদি নেগেটিভ হয় তখন সেই ব্লাড ম্যানেজ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।  A-, B-, O-, AB- যাদেরকে আমরা নেগেটিভ ব্লাড হিসেবে চিনি। বিশ্বে নেগেটিভ ব্লাড অধিকারী মানুষের সংখ্যা অপ্রতুল।  আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় একদল প্রতারক।  স্বাভাবিকভাবেই রোগীর লোক খুব সহজে নেগেটিভ ব্লাড ম্যানেজ করতে পারেন না। তখন তারা অনলাইনে বিভিন্ন রক্তদান সংগঠনের কাছে ব্লাড রিকুয়েষ্ট দিয়ে থাকেন। সেখান থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে প্রতারকরা ফাঁদ পাতে। প্রতারকরা কল দিয়ে জানায়, সে ব্লাড দিতে পারবে বা তার কাছে নেগেটিভ ব্লাড আছে। কিন্তু সিএনজি ভাড়া লাগবে অথবা বাইকে তেল শেষ। ইমার্জেন্সি হওয়ায় রোগীর লোক ৫০০, ১০০০ টাকা বিকাশ করে দেয়। অনেকেই মনে করেন অল্প কিছু টাকা গেলে যাক, ব্লাড পেলেই হল। টাকা পাবার পর প্রতারকরা নাম্বার বন্ধ করে দেয়। এদিকে অনেক রোগীর লোক প্রতারিত হয়ে সংগঠন বা স্বেচ্ছাসেবীদেরকে দায়ী করে। এতে তারাও বিব্রত হয়। কিন্তু একজন প্রকৃত রক্তদাতা কখনোই টাকার বিনিময়ে রক্তদান করে না। রক্তদানে তাই অগ্রীম লেনদেন করা থেকে বিরত থাকুন। প্...

অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন

Image
😆🤣 ভারতে মা ও ছেলের কিছু  কথোপকথন। 🙄ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???  😥 মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন । ছেলে = ওহ  । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???🙄 মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।😥 ছেলে =  । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??🙄 মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।🤧 ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??🙄 মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।😔 ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি😕 মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।😟 ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না😀 মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।😪 ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড  । প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত । আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??😌 মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ...

লোভে পাপ পাপে মৃত্যু

Image
একটি পাখি তাড়াহুড়ো করে মাছ শিকার করতে গিয়ে ভুল করে একটা ভয়ংকর সাপকে মাছ ভেবে খেয়ে ফেললো।  এবার সে আকাশে উড়তে শুরু করলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সে অনুভব করলো সাপটি তার পেট ছিড়ে বাহিরে বের হয়ে যাচ্ছে। জীবিকার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করে রাতারাতি বড় লোক হওয়ার জন্য হারাম ও অবৈধ পন্থা অবলম্বন করা উচিত নয়। হয়তোবা এই হারাম গ্রাস ও অবৈধ মাধ্যমটি নিজের জীবনটাই কেড়ে নিতে পারে।  মানুষ ঠকিয়ে,মানুষের হক্ব মেরে,জোর জবরদস্তি কিংবা চিটারি-বাটপারি করে যে টাকার পাহাড় বানানো হয়,একটা সময় সেটা ভয়ংকর সাপের চেয়েও কঠিন মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে !!    

গীবত পরিহার করুন

Image
গাছটি আপনার, অনেক কষ্ট করে লাগিয়েছেন,যত্ন নিয়েছেন। কিন্তু আজ তার ফল আপনি ভোগ করতে পারছেন না,মাঝখানে দেয়াল বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে❗ ঠিক তেমনি আপনি দিনভর আল্লাহর ইবাদত করে, তাহাজ্জুদ পড়ে, নামাজ পড়ে, রোজা রেখেও পরকালে সেটার ফল ভোগ করতে পারবেন না। ভোগ করবে অন্যরা। যাদের নামে আমি/আপনি গীবত করে বেড়িয়েছি,বাজে সমালোচনা করেছি,  কেয়ামতের দিন আমি/আপনি তাদের কাছে ফেঁসে যাবো। সেদিন আমার/আপনার নেক আমল ওদের দিয়ে, তাদের গোনাহ্ গুলো আমাদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হবে। সেদিন আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।  আল্লাহ্ তায়া’লা  আমাদের সবাইকে গীবত থেকে বাঁচার তাওফিক দান করুক। কারও কারনে কস্ট পেলে আমরা একজন আরেকজনের কাছে তা শেয়ার করি,মনকে হালকা করার জন্য, অথচ এরি মধ্যে যে গীবত করে ফেললাম,এটা আর বুঝতে পারলাম না।আল্লাহ সঠিক বুঝ দান করুক আমিন।

চুয়াডাঙ্গা জেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও ছবি

Image
চুয়াডাঙ্গা জেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: চুয়াডাঙ্গা জেলা বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৮৫৯ সালে চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশের প্রথম রেলপথ ও বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন স্থাপিত হয়। ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন চালু হলে নদীয়া জেলার চুয়াডাঙ্গা মহকুমা সদর দামুড়হুদা থেকে চুয়াডাঙ্গায় স্থানান্তর করা হয়। এর ফলে চুয়াডাঙ্গা তখন নদীয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহকুমা ও সর্ববৃহৎ ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় চুয়াডাঙ্গা মহকুমা নবগঠিত কুষ্টিয়া জেলার সাথে একীভূত হয়ে পাকিস্তান (পূর্ব বাংলা) অন্তর্ভুক্ত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা ১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে বিভক্ত হয়ে স্বাধীন জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম কমান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম কমান্ড গঠিত হয়। বাংলাদেশের প্রথম ডাকঘরটিও চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত। যুদ্ধের সময় গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে - চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পিছনে, নাতুদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে তিনটি গণকবর, জীবননগর সীমান্তবর্তী ধ...

একটা মিস্টি প্রেম কাহিনী..

গল্পঃ একটা মিস্টি প্রেম  কাহিনী........   লেখকঃ #shuvo.......   নীলাঃ এই যে মিস্টার শুনেন..... সুভঃ জি?  মহারানি বলেন...... নীলাঃ আজ রাতে ঘুমাবো না😜... সারারাত ওই বেলকনিতে বসে বসে গল্প করবো । সুভঃ পাগলে বলে টা কি? বালিশটা এইদিকে দাও। নীলাঃ বল্লাম না আজ আর ঘুমাবো না। সুভঃ পাগলামো করো না তো বালিশটা এইদিকে দাও!! নীলাঃ দেবো না! হি হি হি...... সুভঃ আমি তোমাকে দিতে বলছি না? নীলাঃ তুমি বল্লেয় সব কিছু করতে হবে? সুভঃ আমি তোমার স্বামি না!! নীলাঃ আমিও তোমার মিস্টি বোউ! সুভঃ  আমি কি কখনো বলেছি তুমি আমার বোউ না? নীলাঃ তুমি তো আমার একটা কথাও শোন না! 😂   সুভঃ  কে বল্লো আমি তোমার একটা কথাও শুনি না? নীলাঃ তাহলে ঘুমাতে যাও কেন? সুভঃ সারাদিন কাজ করে শরীর টা অনেক ক্লান্ত হয়ে আছে তো তাই এমন মহারানি! নীলাঃ এই ধর তোমার বালিশ!  তুমি নাক ডেকে ঘোমাও।  আমি তো তোমার কেও না? সুভঃ রাগের করনে মহারানি বেলকুনিতে বসে আছে!  দুর এখন কি আর ঘুম আাসবে!  বালিশটা ছুড়ে দিলাম।  (তারপর বেলকোনিতে চলে গেলাম।  পাগলি টা একটু রেগে আছে) কিছু না বলেই পিছন থেকে জরিয়ে ধরলা...