Posts

Showing posts with the label রোমান্টিক গল্প

ভালোবাসার অবেলায় সন্ধ্যে নামে

Image
ভালোবাসার গল্প আইরিন ভাবিকে কেনো যে আমার এত বেশি ভালো লাগে এর কোনো যুক্তিগত কারণ খুজে পাইনি। আইরিন ভাবির চোখ দুটো আমার সবচাইতে বেশি আকর্ষণ করে। অন্যের বউয়ের প্রতি এমন আকর্ষণ ঘোর অন্যায়। কিন্তু আমার ওনাকেই বেশি ভালো লাগে। এই ভালোলাগার জন্য ওনার সামনে আমি লজ্জাতে তেমন যেতেই পারিনা। সিঁড়ি দিয়ে উঠছি। আইরিন ভাবির সামনেই পড়লাম। ওনার মুখের দিকে তাকাতেই মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটে ওঠে। আমার বুকের ভিতরে হঠাৎ কাঁপুনি অনুভব হয়। নিজেকে এত বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু তবুও আমার দৃষ্টি ওনার মুখের দিকেই চলে যেতে চাইছে। আমাকে দেখে বললো.. "আরে আবির যে..  তা কেমন আছো? তোমাকে তো দেখিইনা। কোথায় থাকো তুমি?" "জ্বি ভাবী ভালো। আপনি কেমন আছেন? জাহিদ ভাই ভালো আছে? আরুশা কেমন আছে?" আরুশা নাম শুনতেই ভাবির মুখে থাকা হাসির রেখা নিমিষেই উবে গেলো। চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন তিনি। আমি কিছু বললাম না। ভাবী জোরে একটা শ্বাস নিলেন। আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বললেন... "বাড়িতে আজ এসো, দাওয়াত রইল। আসবে কিন্তু.. তোমার ভাইয়ের অনেক আত্বীয় এসেছে।" কথাগুলো বলে উনি চলে গেলো। আমি ওনার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়...

এক পশলা রোমান্টিক বৃষ্টি

Image
রোমান্টিক গল্প আমি তাহমিনা আক্তার স্বর্ণা। আজ আমার দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বিয়ে হয়েছিল চার বছর আগে। তখন আমাদের বাড়ির উঠানে গায়ে হলুদের স্টেইজ বানানো হয়েছিল। হলুদ বাটো মেনদি বাটো অনুষ্ঠান হয়েছিল। বাড়ি থেকে রাস্তা অবধি লাল নীল মরিচা বাতি খেলা করেছিল। পরিচিত সকলে আমার গায়ে হলুদ মেখে সে-কি আনন্দ! বিয়ের দিন পুরো এলাকার প্রতি ঘর থেকে দুইজন একজন করে বাড়ির উঠানে বসে খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছিল।  আজও আমার বিয়ে। কিন্তু আজ উঠানে কোনো স্টেইজ নেই। বাড়ির উঠান ভর্তি খাওয়ার আয়োজন নেই। গতকাল আমার গায়ে ঘটা করে কেউ হলুদ মাখাতেও আসেনি। জ্বলেনি কোনো লাল নীল মরিচা বাতি। দ্বিতীয় বিয়ে বলেই হয়তো সবকিছু সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। গ্রামে মধ্যবিত্ত পরিবারে এক মেয়ের একাধিক বিয়েতে বারবার আয়োজন করতে হয় না। লোকে মুখ টিপে হাসবে হয়তো। আমি আলাদা ঘরে টেবিলে কনুই ঠেকিয়ে গালে হাত দিয়ে বসে আছি। গ্রামে কথিত আছে, গালে হাত দিয়ে বসে থাকলে স্বামীর অমঙ্গল হয়। আমি বুঝে উঠতে পারছি না, আমার কোন স্বামীর অমঙ্গল হবে? যে স্বামী দুপুরে খেয়ে-দেয়ে এসে আমাকে নিয়ে যাবে না-কি যে স্বামী বিয়ের পর বিদেশ গিয়ে আর ফিরে আসেনি! গ্রামে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায় অল...

ভালোবাসার পরিবর্তন

Image
এক . “তাহলে আপনি আমাকে সত্যি সত্যিই ডিভোর্স দিতে রাজি হলেন?” আমি মাথা নিচু করে থাকি। সমগ্র কথা গুলো দীবার কাছে যখন বললাম ও একটা বারও হা হুতাশ করলো না। অন্য রুমে চলে গিয়েছিল। আর এখন প্রায় পনেরো মিনিট পর এসে এই ব্যাপারে জানতে চাচ্ছে।আচ্ছা আমার কি তাকে আর কিছু বলার আছে? বুঝানোর আছে? আমি যা বলেছি সে কি বুঝতে পারেনি? . আমি তারপরো ইতস্ততার সহিত বললাম “আমি মানুষটা কেমন জানি তাই না? স্পষ্ট করে বললে আমার মনটা একটা ভাবনার রাজ্য। একটা কথা কি ছোট বেলা আমার মনে যা আসতো আমি মাকে সাথে সাথেই জিজ্ঞেস করে ফেলতাম, জানতে চাইতাম। আমার মা একটুও বিরক্ত হতো না। কিন্তু যেবার বুবু আত্মহত্যা করলো গলায় ফাস দিয়ে সেবার মা খুব বিরক্ত হয়েছিল। আমার গালে চড় মেরে কান্না করে বলেছিল “এতো জ্বালাস ক্যা? মরতে পারিস না? দুর হ।” কিন্তু কিছুক্ষন পরই আমাকে বুকে নিয়ে বলেছিল “শোভন কষ্ট লাগেরে আব্বু। আমার মেয়েটার সাথে এমন কিছু হয়ে গেলো আমি বুঝতে পারি নাই। আমি কেমন মা হইলামরে?” আমি সেদিনই প্রথম আমার মাকে এমন করে কাঁদতে দেখেছিলাম। বাবাকে কেমন যেন পাথর হয়ে যেতে দেখলাম।আমার বাবা শোকে তিন দিন কারো সাথে কথা বলে নাই।আমার বাবাটা মাঝ রাতে চ...