অভিসন্ধি
“আচ্ছা যারা বলে –আমি মরে গেলে সব কিছু সমাধান হয়ে যেত বা সব কিছু শান্তি হতো- সত্যি কি তারা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলে সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যায়? অথবা যারা কল্পনা করে আজন্ম পুষিয়ে রাখা দীর্ঘশ্বাসগুলো মুক্ত করে দিতে। তারা কি পারে? আমরা মানুষগুলাই ভুলে ভরা তাই না? . এই কথাটা শোনার জন্য আমি অপ্রস্তুত ছিলাম। ফারিয়া কেন এই কথাটা বললো তার একটা কারণ আছে। আর এই কারণটার জন্যই এত দুর আসা। কিন্তু এই টাইপের প্রারব্ধ বা অবসানের কথা বার্তা শুনলে আমার বুকের মধ্যে লাগে। আমি বললাম” আমি জানি তুমি খুবই শক্ত একটা মেয়ে। এতোটা বিধ্বস্ত কথা তোমার মুখে মানায় না।” . আমার কথা শুনে ফারিয়া হাসে তারপর চুল কানে গুজে বলে “একটা কথা কি জানো কাছের মানুষগুলোকে মাঝে মাঝে ভয় লাগে। তাদের তাচ্ছল্য, অবহেলা, অবজ্ঞা, অসমাদারতা সহ্য করা যায় না। আমার ভিতর যে অস্তিত্বটা সেটা অতি ক্ষুদ্র। আমাকে দেখলে স্বাভাবিক মনে হলেও আমি খুব স্বাভাবিক না। পরিস্থিতিটা এমন হয়েছে যে আমি এখন কারো উপর কোন কিছুর জন্য প্রত্যাশা রাখি না। উহু একদমি না। দিন যত যাবে বা এই যাওয়ার মাঝে যখন একাকীত্বটা দরজার ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে প্রবেশ হয়ে আমাকে আলিঙ্গন করে জ্বালাবে পুড়া...