তোমার অনুপস্থিতিতে

নিশা ভয়ে ভয়ে সামির কাছে এসে বলল,
-- আপনি কি চা খাবেন, আমি চা বানিয়ে দিবো?
-- তুমি প্লিজ এক্ষুনি আমার সামনে থেকে চলে
   যাও।
-- না মানে বলছিলাম
নিশার পুরো কথা না শুনেই সামি চিৎকার করে বলল,
-- আই সেইড লিভ। 

নিশা চমকে উঠলো। রুম থেকে বের হয়ে রান্নাঘরে চলে গেল সে। চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে ওর। এটা নতুন কিছু নয়। সামি প্রতিদিনই এইরকম খারাপ ব্যবহার করে নিশার সাথে। নিশা চুপচাপ সহ্য করে যায় কারণ ওর কোন উপায় নেই। বিয়ের প্রথম রাতেই সামি নিশাকে বলেছিল, 
-- দেখুন বাবা মা আমাকে ইমোশোনালি
   ব্ল্যাকমেইল করে আপনার সাথে বিয়ে
   দিয়েছে। আমি ডিভোর্স চাই। প্রয়োজনে আমি
   সারাজীবন আপনার খরচ বহন করবো। যত
   টাকা লাগে দিবো কিন্তু আপনি আমার বাসায়
   বলুন যে আপনি নিজে ডিভোর্স চান।
-- আপনি কি বলছেন এসব। আমি এটা করতে
   পারবো না। 
-- প্লিজ, আমি আপনার সাথে থাকতে পারবো
   না বুঝার চেষ্টা করুন। 
-- (নিশা চুপ করে ছিল)
-- আশ্চর্য বেহায়া মেয়ে তো আপনি। আমার
   সাথে থেকে কিচ্ছু পাবেন না।
-- ভাগ্যে যেটা আছে সেটা হবে।
-- ওহ রিয়েলি। তাহলে থাকুন। আমি যা যা করি
   সহ্য করুন।
নিশা বেশ ঘাবড়ে যায়। সে জানেনা সামি তার সাথে কি করতে যাচ্ছে। বিয়ের প্রথম রাতটা মানুষের জন্য অনেক আনন্দের হয়। আর নিশার জন্য অশান্তির প্রথম প্রহর।

না, সামি তাকে মারধোর করে না। শিক্ষিত মানুষের তা শোভা পায় না। কিন্তু প্রত্যেকটা দিন নিশাকর যেভাবে অপমান অপদস্ত হতে হয় তাতে মারধোর হয়তো সম্মানের ছিল। কিন্তু নিশা কোথায় যাবে? বাবা মা নেই। চাচা চাচী ওর বিয়ে দিয়েছে। সারাজীবন বোঝা হয়ে একটা সংসারে ছিল। কষ্ট করে পড়াশোনা করিয়ে বিয়ে দিয়েছে চাচা। আবার কোন মুখে ডিভোর্স নিয়ে সেখানে ফেরত যাবে।

সামি মানুষ হিসেবে যথেষ্ট ভালো। অন্যদের সাথে যখন সামি কথা বলে তখন নিশার ইচ্ছা হয় সারাদিন তাকিয়ে দেখতে। সে ভাবে যদি একটা বার সামি আমার সাথে ভালো ব্যবহার করতো। সমস্যা একটাই সামির অন্য পছন্দের মানুষ ছিল কিন্তু পরিবার রাজি না থাকায় বাধ্য হয়ে নিশাকে বিয়ে করতে হয়েছে। সামির মা মিসেস রেহানা বেগম চেয়েছিলেন একটা ভদ্র ঘরোয়া মেয়ে ঘরে আনতে। সামির গার্লফ্রেন্ড রিয়া বেশ খোলামেলা জীবনযাপন পছন্দ করতো। তাই সামির পরিবার ওদের বিয়েতে সম্মতি দেয় নি। 
নিশার চলে যেতে না পারার অপারগতা টা ভালোভাবেই বুঝে সামি। কিন্তু সে কেন জানি ওকে মানতেই পারে না। 
নিশার সাথে সামির বিয়ের ছয় মাস হয়েছে। বিয়ের এক সপ্তাহ পরেই বাড়ি থেকে ঘন্টাখানেক দুরে ভাড়া বাড়িতে উঠেছে ওরা সামির কর্মস্থলের কাছাকাছি। সে থেকে রাগে একবারো বাসায় যায় নি সামি। ভালোভাবে বাবা মার সাথে ফোনেও কথা বলে না। 

রান্না শেষে টেবিলে খাবার টা রেখে অন্য রুমে চলে গেল নিশা। সামি এসে খাবার খেয়ে নিজের রুমে চলে গেল। আলাদা রুমে বসবাস ওদের প্রথম থেকেই। সামির পারমিশন ছাড়া অপ্রয়োজনে ওর সামনে আসাও নিষেধ।

পরেরদিন অফিসে গিয়ে সামি জানতে পারলো তার গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে গেছে অতি ধনী এক ব্যক্তির সাথে। শুনে ওর প্রচন্ড রকমের মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। সন্ধ্যায় নিশা বসে বই পড়ছিল। সামি বাড়ি ফিরে নিশার রুমে গিয়ে ওর হাত টা ধরে ওকে বাইরে টেনে আনলো। নিশা বলল,
-- কি হয়েছে এমন করছেন কেন?
-- এক্ষুনি আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাও।
-- মানে?
সামি রুমে গিয়ে আলমারি থেকে নিশার যাবতীয় জামাকাপড় সব মেঝেতে ফেলে দিল।
-- তোমার যা কিছু আছে গুছিয়ে নিয়ে বের হয়ে
   যাও।
-- প্লিজ আমার কথাটা একটু বুঝার চেষ্টা করুন।
   রাত হয়ে গেছে। এখন আমি কোথায় যাবো?
-- যেখানে ইচ্ছা যাও। আই ডোন্ট কেয়ার। 
নিশা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।
-- দেখো তুমি যদি না যাও আমি চলে যাবো
   এখান থেকে। তাড়াতাড়ি সবকিছু প্যাক করো।
-- আপনার টাকায় কেনা এক পয়সারও জিনিস 
   আমার দরকার নেই। 
কথাটা বলে নিশা এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। 

দুই ঘন্টা হলো নিশা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে। কোথায় যাবে ওর কাছে টাকা নেই। পরিচিত কোন মানুষ নেই। রাস্তার পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে আছে। 
বাইরে মেঘ ডাকছে। সামির প্রচন্ড অস্থির লাগছে। সে ভাবছে, " এত রাতে মেয়েটা কোথায় যাবে? বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি। ও তো এখানে কিছুই চিনে না যদি কোন বিপদ হয়। " সামি নিশাকে ফোন দিল কিন্তু ফোনটা নিশার রুমেই বেজে উঠলো। ফোন সঙ্গে নিয়ে যায় নি নিশা।
তাড়াহুড়া করে বাইকটা নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সামি। রাস্তার চারপাশটা খুঁজছে। কোথাও নিশাকে দেখতে পাচ্ছে না। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। সামি অনেকক্ষণ থেকে খুঁজছে কিন্তু কোথাও পাচ্ছে না। সামির কান্না পাচ্ছে প্রচন্ড। হতাশভাবে বৃষ্টির মধ্যে বাইক চালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার পাশে একটা মসজিদের পাশে চুপচাপ  দাঁড়িয়ে আছে নিশা। সামি ওকে দেখতে পেয়ে সস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। নিশার সামনে গিয়ে বাইক থামাতেই নিশা চমকে উঠলো। ওকে উদ্দেশ্য করে সামি বলল, 
-- বাইকে উঠো। 
নিশা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। সামির হাঁচি হচ্ছে বারবার।
-- দেখো আমার এমনিতেই ঠান্ডা লাগার সমস্যা
   আছে। তোমাকে খুঁজতে গিয়ে অনেক
   ভিজেছি। প্লিজ উঠে বসো।
সামির কথা ভালোভাবে না বুঝে একটি লোক ওকে বলল,
-- ঐ মিয়া, মাইয়া মানুষ পাইলেই বিরক্ত করতে
   মন চাই তাইনা?
-- ও আমার বউ। (সামি)
নিশাকে উদ্দেশ্যে করে লোকটি বলল,
-- এই যে আপা, আপনাদেরও কান্ড। রাগ হলেই
   বাড়ি থেকে বের হয়ে আসতে হবে? যান,  
   ভাইয়ের সাথে বাড়ি যান।
সামি আবার বলল,
-- প্লিজ এসো। 
নিশা গিয়ে বাইকের পেছনে বসলো। বাড়ি ফিরে চেঞ্জ করে মেঝেতে পড়ে থাকা জামাকাপড় গুছিয়ে আলমারিতে রেখে দিল। সামির ঠান্ডা লেগে গেছে। বারবার হাঁচি হচ্ছে। নিশা ভয়ে ওর আশেপাশে যাচ্ছে না। রুম লক করে বসে আছে। সামি ওকে ফোন দিয়ে বলল, 
-- একটু চা বানিয়ে দিতে পারবা?
নিশা কিছুই না বলে ফোন কেটে দিল। চা বানিয়ে ঘরে রেখে চলে গেল। কোন কথা বলল না। সামি বেশ অবাক হলো। মনে মনে ভাবলো, " আজ যা ব্যবহার করেছি ওর কাছ থেকে কোন কথা এক্সপেক্ট ও করা যাবে না। ছিঃ নিজের কাছেই লজ্জা লাগছে।"

সকালে ঘুম থেকে সামি দেখলো টেবিলের ওপরে একটা চিরকুট রাখা। চিরকুটে লিখা,
" কাল রাতটা আমাকে থাকতে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি চলে যাচ্ছি। ভালো থাকবেন।"

সামি চিরকুট টা প্রায় একশবার পড়ল। তারপরে কয়েকবার নিশাকে ফোন দিল। ফোন বাড়িতে রেখেই চলে গেছে কারণ ফোনটা সামি কিনে দিয়েছিল। সামি নিশার রুমে গিয়ে দেখলো ওর কিনে দেওয়া একটা জামাকাপড়ও নিশা নিয়ে যায় নি। প্রচন্ড ঘৃণা লাগছে ওর নিজের কাছে। দ্রুত রেডি হয়ে সে অফিসে গেল। কোন কিছুতেই মন বসছে না ওর। সে ভাবছে, 'নিশা কি তাহলে ওর চাচার বাড়ি গেছে? সেখানে তো ওর যাওয়ার কথা না। নাকি অন্য কোথাও। ' দুপুরে ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে আসলো সামি। শুয়ে আছে কিছুই ভালো লাগছে না। বউ ছাড়া একটা বেলা চলা কত কষ্ট। বউ নাই রান্নাও করা হয় নি। একটা ঘুম দিল সামি। সন্ধ্যায় উঠে ঘুমের ঘোরে নিশাকে বলল, " এক গ্লাস পানি দাও তো "। কোন জবাব না আসলে সে উঠে বসলো। মনে পড়ল নিশা তো নেই। উঠে ফ্রেশ হয়ে রান্নাঘরে গেল সামি। রান্না জানেনা সামি। তারপরেও চেষ্টা করবে ভেবে রান্না শুরু করলো। কড়াই থেকে তরকারি নামাতে গিয়ে ছ্যাকা লেগে হাত পুড়ে গেল ওর। হাতটা ব্যান্ডেজ করে সে কিছুক্ষণ রেস্ট নিল। তারপরে উঠে খেতে বসল। খাবার টা মুখে দিতেই দেখলো সে খাবারে লবণ দিতে ভুলে গেছে। খেয়ে শুয়ে পড়ল সে। সকালে উঠে সামি দেখলো ভুলে সে মেইন দরজা লক না করেই ঘুমিয়ে পড়েছিল। তার ল্যাপটপ টা চুরি হয়ে গেছে। ফোনটা বালিশের নিচে ছিল বলে হয়তো নিতে পারে নি। অফিসে যাওয়ার জন্য শার্ট ইস্ত্রি করতে গিয়ে শার্ট পুড়িয়ে ফেলল। সে হাসতে হাসতে বলল, "ওয়াও কি হচ্ছে আমার সাথে। একদিন বউ নাই তাই চলতে পারছি না বাকি দিনগুলা কি করে চলবো। আর এই মেয়ের সাথে দিনের পর দিন কি দুর্ব্যবহার করে গেছি আমি"। 

পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজে নিশার বান্ধবীর ফোন নাম্বার পেল সামি। ওকে ফোন দিয়ে বলল,
-- হ্যালো, আপনি কি অ্যানি?
-- জ্বী, আপনি?
-- আমি সামি বলছি। নিশার হাসবেন্ড। ও কি
   আপনার কাছে আছে?
-- (অ্যানি কিছুই বলছে না)
-- দেখুন প্লিজ বলুন। আমি প্রচন্ড টেনশনে
   আছি। আমি জানি আমি অন্যায় করেছি কিন্তু
   আমার পরিস্থিতি টা একটু বুঝুন। প্লিজ
   একটাবার আমার ভুল সুধ্রে নেওয়ার সুযোগ
   দিন।
-- হ্যা নিশা আছে এখানে। কিন্তু ও আপনার
   সাথে কথা বলতে চাই না। ও খুব কষ্ট
   পেয়েছে। আসার পর থেকে অনেক কান্নাকাটি
   করেছে। আমার মনে হয় আপনার এখন
   আসা ঠিক হবে না।
-- ওকে। 
এমন বিশ্রীভাবে এক সপ্তাহ চলে গেল। বাড়িটা খুব ফাঁকা ফাঁকা লাগে সামির কাছে। অফিস থেকে ফিরলেই একটা ধাক্কা লাগে। কিছু একটা যেন নেই নেই। অথচ যখন ছিল তখন গুরুত্ব দেয় নি সে। 

আজ আর নিজেকে আটকানো সম্ভব হচ্ছে না। নিশার বান্ধবীর ঠিকানাটা নিয়ে সন্ধ্যায় ওর বাড়ির সামনে হাজির হলো সামি। অ্যানি কে ডেকে বলল নিশার সাথে কথা বলিয়ে দিতে। কিন্তু নিশা সামির সাথে কথা বলতে চাই না। সামিও হাল ছাড়ার বান্দা নয়। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে আছে সে। আকাশটা মেঘলা। যেকোন সময় বৃষ্টি এসে যাবে। সামি বাইরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলছে,
" তুমি যতক্ষণ বাইরে আসবা না আমি ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবো। প্লিজ বাইরে এসো। আমি মন থেকে সরি। আমি অন্যায় করেছি। আমি অনেক তোমাকে ভালোবাসি নিশা। তোমার অনুপস্থিতিতে একটা সপ্তাহে আমি বুঝেছি তোমাকে আমার কতটা প্রয়োজন। আমি তোমাকে ছাড়া এক মুহুর্ত চলতে পারছি না। এভাবে চললে আমি দম বন্ধ হয়ে মারা যাবো। "
নিশা দরজার আড়ালে থেকে কথাগুলো শুনছে। ওর চোখ দিয়ে ঝরঝর করে বৃষ্টি পড়ছে। বাইরেও বৃষ্টি এসেছে। সামি আবারো চিৎকার করে বলছে, 
" তুমি এটাই চাও যে আমি এই বৃষ্টিতে সারারাত দাঁড়িয়ে থাকি। তাহলে তাই হোক। কিন্তু যতক্ষণ বের হচ্ছো না আমিও যাবো না। আমি তোমাকে আমার সাথে নিয়েই তবেই যাবো। "

পনেরো মিনিট হয়ে যাচ্ছে সামি এক পা ও নড়েনি। নিশা এবার বাধ্য হয়ে বেরিয়ে আসলো। এসে বলল,
-- কি চাচ্ছেন আপনি? এসব পাগলামির মানে
   কি?
সামি কোন কথা না বলে নিশাকে জড়িয়ে ধরে বলল, 
-- আমি তোমাকে আমার জীবনে চাই
   সারাজীবন। প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিও না।
   তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো না। 
নিশা খেয়াল করলো সামির হাতে ব্যান্ডেজ করা। 
-- আপনার হাতে কি হয়েছে?
-- পুড়ে গেছে। সেসব বাদ দাও। তুমি ফিরে চলো
   প্লিজ। 
নিশা কিছুই বলছে না। সামি এবার ওকে কোলে তুলে বলল,
-- তুলে নিয়ে যেতে জানি। আমার বউ। আমার
   অধিকার আছে।
-- (নিশা প্রচন্ড লজ্জা পেল)
দুজনে একসাথে বাড়ি ফিরলো। ফিরে দরজার সামনে এসে নিশার চোখ জোড়া হাত দিয়ে ধরে দরজা খুলে সামি বলল,
-- এবার চোখ খোলো।

চোখ খুলে নিশা দেখলো, বাড়ি সামনেটা গোলাপের পাপড়ি, বেলুন, রঙিন মোমবাতি দিয়ে সাজানো। নিশা খুব অবাক হলো। সামি ওর সামনে হাটু গেড়ে বসে একটা আংটি সামনে ধরে বললো,
-- পুরনো সবকিছু ভুলে কি তুমি আমাকে একটু
   ভালোবাসতে পারবা?
নিশা কি বলবে বুঝতে পারছে না। ওর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। সামি আবার বলল,
-- প্লিজ কিছু তো বলো।
-- আমি অলরেডি আপনাকে ভালোবাসি। 
সামি নিশার কপালে একটা চুমু খেয়ে বলল,
-- কয়েকদিন থেকে আমি শান্তিমতো খেতে
   পারিনি। প্লিজ দ্রুত রান্না করো। আর হ্যা,
   সামনে টা সাজিয়েছি। ভেতরের রুমগুলোর
   অবস্থা খুব ভয়াবহ। বউ না থাকলে যা হয়। 
   একসাথে সাজাতে চাই এবার আমাদের
   রুমটা।
শুনে নিশা হাসলো। সামিও হাসলো। 

(সমাপ্তি) 

গল্প: তোমার অনুপস্থিতিতে
লেখনীতে-- নূর-এ সাবা জান্নাত

Comments

Popular posts from this blog

বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক সারের কাজ।

বিয়ে ছাড়াই বউ!

ভালোবাসার শেষ ইচ্ছা